ভ্যাট নিবন্ধন
ভ্যাট নিবন্ধন ও বিআইএন রেজিস্ট্রেশন
নিবন্ধন না তালিকাভুক্তি, কী কী কাগজ লাগে, মূসক ২.১ ফরমে কোন ঘরে কী, বিভাগীয় দপ্তর কী যাচাই করে, আর সরবরাহকারীর বিআইএন কীভাবে দেখে নেবেন।
সর্বশেষ যাচাই
সংক্ষেপে উত্তর
বিআইএন হলো ১৩ সংখ্যার সেই শনাক্তকারী, যেটি ভ্যাটে নিবন্ধন বা টার্নওভার করে তালিকাভুক্তির সময় এনবিআর দেয়। আবেদন হয় vat.gov.bd-তে, মূসক ২.১ ফরমে, বিনামূল্যে, আর সঙ্গে লাগে ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন, জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক ও ঠিকানার কাগজ।
সীমার নিচে থেকেও স্বেচ্ছায় নিবন্ধন নেওয়া যায়, আর দায়িত্ব শুরু হয় সঙ্গে সঙ্গেই: প্রতিটি করযোগ্য সরবরাহে মূসক ৬.৩, প্রয়োজনীয় রেজিস্টার, আর প্রতি মাসে মূসক ৯.১।
নিবন্ধন না তালিকাভুক্তি: দুটো আলাদা জিনিস
প্রথম সিদ্ধান্তটা কীভাবে আবেদন করবেন তা নয়, কীসের জন্য আবেদন করবেন তা। নিবন্ধন আর তালিকাভুক্তির দায়িত্ব আলাদা, আর পার্থক্যটা মূলত এক জায়গায়: আপনি ভ্যাট চালান দিতে পারবেন কি না।
| বার্ষিক টার্নওভার | মর্যাদা | কী দায়িত্ব আসে |
|---|---|---|
| ৫০ লাখ টাকা-এর বেশি | টার্নওভার করে তালিকাভুক্তি | বিআইএন পাবেন, প্রাপ্তির উপর টার্নওভার কর দেবেন, উপকরণ কর রেয়াত নেবেন না, আর মূসক ৬.৩ ইস্যু করবেন না। |
| ৩ কোটি টাকা-এর বেশি | ভ্যাটে নিবন্ধন | ১৩ সংখ্যার বিআইএন পাবেন, প্রতিটি করযোগ্য সরবরাহে মূসক ৬.৩ দেবেন, আর নিবন্ধন যে নিয়মে বসেছে সেই অনুযায়ী মূসক ৯.১ রিটার্ন দেবেন। |
তালিকাভুক্ত ব্যবসা তার প্রাপ্তির উপর ৪% হারে টার্নওভার কর দেয়, উপকরণ কর রেয়াত নেয় না আর মূসক ৬.৩ ইস্যু করে না। নিবন্ধিত ব্যবসা প্রতিটি সরবরাহে তার প্রযোজ্য হারে ভ্যাট নেয়, উপকরণ কর রেয়াত দাবি করে, মূসক ৬.৩ ইস্যু করে, আর মূসক ৯.১ দেয় ত্রৈমাসিক দাখিল এখন সাধারণ নিয়ম, সেক্ষেত্রে ত্রৈমাসিক মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে; আর মাসিক দাখিল বেছে নিলে পরের মাসের শেষ দিনের মধ্যে।
পর্যন্ত, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ ও তার বিধিমালা ২০১৬, এবং আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী, অর্থ আইন ২০২৬ দ্বারা সংশোধিত হিসাবে। বাংলাদেশে হার, সীমা আর তফসিল এসআরও দিয়ে নতুন করে জারি হয়, অনেক সময় অর্থবছরের মাঝপথেই। যাচাইয়ের সময় এনবিআরের নিজস্ব সাইটে পৌঁছানো যায়নি, তাই এখানকার সংখ্যাগুলো পেশাদার দ্বিতীয় পর্যায়ের সূত্র থেকে নেওয়া। কোনো সংখ্যার উপর ভরসা করার আগে আপনার ভ্যাট পরামর্শকের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ এনবিআর, এই পাতা নয়।
যে কাগজগুলো চাওয়া হবে
আবেদন শুরু করার আগেই এগুলো গুছিয়ে নিন। নিবন্ধন দেরি হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ কঠিন কোনো প্রশ্ন নয়, একটা স্ক্যান না থাকা।
- ট্রেড লাইসেন্স, চলতি, আর নামটি যে নামে নিবন্ধন নিচ্ছেন তার সঙ্গে মিলিয়ে।
- ব্যবসার টিআইএন সনদ।
- মালিকের, বা কোম্পানির ক্ষেত্রে পরিচালকদের, জাতীয় পরিচয়পত্র।
- কোম্পানি হলে নিবন্ধন সনদ ও সংঘস্মারক; অংশীদারি হলে অংশীদারি দলিল।
- ব্যবসার নামে ব্যাংক হিসাবের তথ্য।
- ব্যবসার জায়গার প্রমাণ: মালিকানার দলিল বা ভাড়ার চুক্তি, সঙ্গে নাম মেলে এমন একটি ইউটিলিটি বিল থাকলে ভালো।
- আমদানি বা রপ্তানি করলে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন সনদ।
- যে যে জায়গা নিবন্ধনের আওতায় আনতে চান তার তালিকা, যাতে কেন্দ্রীয় না ইউনিটভিত্তিক, সিদ্ধান্তটা ভেবেচিন্তে নেওয়া যায়।
মূসক ২.১ ফরমে কী থাকে
মূসক ২.১ হলো নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তির আবেদনপত্র। শুনতে যতটা ভারী, ফরম হিসেবে তত নয়। তবে দুটো ঘরে যা লিখবেন, পরে বদলানো ঝামেলার।
| অংশ | কী চায় | কেন গুরুত্বপূর্ণ |
|---|---|---|
| ব্যবসার পরিচয় | আইনি নাম, ব্যবসায়িক নাম, গঠন, টিআইএন, ট্রেড লাইসেন্স। | এখানকার আইনি নামটিই আপনার প্রতিটি চালানে বসবে। ট্রেড লাইসেন্সের সঙ্গে না মিললে আবেদন আটকে যায়। |
| মালিক ও পরিচালক | নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র, শেয়ারের অংশ। | নিবন্ধনটি এমন মানুষের সঙ্গে যুক্ত করা হয় যাঁদের দায়িত্ব নির্ধারণ করা যায়। |
| ব্যবসার জায়গা | প্রতিটি জায়গার ঠিকানা, আর সেটি নিজের না ভাড়া। | পরিদর্শনে এটিই দেখা হয়। যে ঠিকানায় আপনি আসলে বসেন না, সেটি ঘোষণা করাই দ্রুততম প্রত্যাখ্যানের পথ। |
| অর্থনৈতিক কার্যক্রম | আপনি কী উৎপাদন, ব্যবসা বা সরবরাহ করেন, কোন শ্রেণিতে। | এখান থেকেই ঠিক হয় কোন হারে ভ্যাট নেবেন আর কোন রেজিস্টার রাখতে হবে, ৬.১ ও ৬.২ না কি সমন্বিত ৬.২.১ বই। |
| টার্নওভার | প্রকৃত ও প্রত্যাশিত বার্ষিক টার্নওভার। | নিবন্ধন না তালিকাভুক্তি, সেটি এখান থেকেই ঠিক হয়, আর পরে এই সংখ্যার সঙ্গেই আপনাকে মেলানো হবে। |
| নিবন্ধনের পরিধি | কেন্দ্রীয় নিবন্ধন, না ইউনিটভিত্তিক। | কয়টি রিটার্ন দেবেন আর খাতা কীভাবে সাজাবেন, দুটোই এতে ঠিক হয়। পরে বদলানো নিজেই একটা আবেদন। |
vat.gov.bd-তে ধাপে ধাপে
নিবন্ধন বিনামূল্যে। সরকারি কোনো ফি নেই, আর কেউ যদি নিবন্ধনের জন্যই টাকা চান, সেটি তাঁর নিজের সময়ের দাম, এনবিআরের ধার্য করা ফি নয়।
- আগে ঠিক করুন নিবন্ধন না তালিকাভুক্তি। বার্ষিক টার্নওভার কোন সীমার মধ্যে পড়ে দেখে নিন। নিবন্ধন আর তালিকাভুক্তি আলাদা মর্যাদা, আলাদা দায়িত্ব। ভুলটার জন্য আবেদন করলে কয়েক সপ্তাহ নষ্ট হয়।
- কাগজপত্র আগে গুছিয়ে নিন। ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন সনদ, মালিক বা পরিচালকদের জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক হিসাবের তথ্য, কোম্পানি হলে নিবন্ধনের কাগজ, আর ব্যবসার জায়গার প্রমাণ। সবগুলো স্ক্যান করা আর পড়ার মতো স্পষ্ট হতে হবে।
- vat.gov.bd-তে অ্যাকাউন্ট খুলুন। আবেদন হয় অনলাইনে। কাগজে আবেদনের আলাদা কোনো সুবিধা নেই, আর সরকারি কোনো ফিও নেই।
- মূসক ২.১ ফরম পূরণ করুন। ফরমটি ব্যবসার পরিচয়, মালিকানা, ঠিকানা, অর্থনৈতিক কার্যক্রম আর প্রত্যাশিত টার্নওভার জানতে চায়। অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ঘরগুলো মন দিয়ে পূরণ করুন, কারণ ওখান থেকেই ঠিক হয় আপনার উপর কোন হার আর কোন রেজিস্টার বসবে।
- কেন্দ্রীয় না ইউনিটভিত্তিক, ঘোষণা দিন। সব শাখা মিলিয়ে একটি কেন্দ্রীয় নিবন্ধন নেবেন, নাকি আলাদা ইউনিট নিবন্ধন, সেটি ঠিক করুন। এতে ঠিক হয় আপনি কয়টি রিটার্ন দেবেন আর খাতা কীভাবে সাজাবেন, আর পরে বদলানো সহজ নয়।
- জমা দিন, আর বিভাগীয় দপ্তরের প্রশ্নের জবাব দিন। আবেদন যায় আপনার এলাকার ভ্যাট বিভাগে। প্রশ্ন আসতে পারে, কারও কারও ক্ষেত্রে ঘোষিত ঠিকানায় পরিদর্শনও হতে পারে। দ্রুত জবাব দিন: আবেদন আটকে থাকার সবচেয়ে বড় কারণ জবাব না দেওয়া।
- সনদ নামিয়ে টাঙিয়ে রাখুন। অনুমোদনের পর বিআইএনসহ নিবন্ধন সনদ পাবেন। সেটি ব্যবসার জায়গায় প্রদর্শন করুন, আর প্রথম করযোগ্য সরবরাহ থেকেই চালানে বিআইএন বসাতে শুরু করুন।
পর্যন্ত, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ ও তার বিধিমালা ২০১৬, এবং আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী, অর্থ আইন ২০২৬ দ্বারা সংশোধিত হিসাবে। বাংলাদেশে হার, সীমা আর তফসিল এসআরও দিয়ে নতুন করে জারি হয়, অনেক সময় অর্থবছরের মাঝপথেই। যাচাইয়ের সময় এনবিআরের নিজস্ব সাইটে পৌঁছানো যায়নি, তাই এখানকার সংখ্যাগুলো পেশাদার দ্বিতীয় পর্যায়ের সূত্র থেকে নেওয়া। কোনো সংখ্যার উপর ভরসা করার আগে আপনার ভ্যাট পরামর্শকের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ এনবিআর, এই পাতা নয়।
বিভাগীয় দপ্তর আসলে কী দেখে
দপ্তর যাচাই করে ব্যবসাটি সত্যিই ওখানে আছে কি না, আর যা বলছে তা-ই করে কি না। তিনটি জিনিস সবচেয়ে বেশি নজরে পড়ে।
- ঘোষিত ঠিকানা ট্রেড লাইসেন্সের সঙ্গে মেলে না, কিংবা ঠিকানাটিতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায় না। পরিদর্শনের সবচেয়ে বড় কারণ এটিই।
- ঘোষিত অর্থনৈতিক কার্যক্রম জায়গার সঙ্গে বা আকারের সঙ্গে মেলে না, যেমন ছোট একটি অফিসের ঠিকানায় উৎপাদন কার্যক্রম।
- প্রত্যাশিত টার্নওভার সন্দেহজনকভাবে সীমার ঠিক নিচে বসানো।
এর কোনোটাই মারাত্মক নয়, আর তিনটিরই ব্যাখ্যা আবেদনের সময় দিয়ে দেওয়া তিন সপ্তাহ পরে জবাব দেওয়ার চেয়ে অনেক সস্তা।
কত দিন লাগে, আর হাতে কী আসে
কাগজ ঠিক থাকলে আর কোনো প্রশ্ন না উঠলে সাধারণত কয়েক কার্যদিবসেই হয়ে যায়। কাগজে গরমিল থাকলে বা পরিদর্শন হলে সময় বাড়ে, আর সময়টা প্রায় সব সময়ই নির্ভর করে আপনি কত দ্রুত জবাব দিচ্ছেন তার উপর, দপ্তরের উপর নয়।
হাতে আসে নিবন্ধন সনদ, তাতে আপনার ১৩ সংখ্যার বিআইএন থাকে। সনদটি ব্যবসার জায়গায় টাঙিয়ে রাখুন, চালানে বিআইএন বসান, আর সরবরাহকারীদের জানিয়ে দিন যাতে তাঁদের খাতাও ঠিক থাকে।
সরবরাহকারীর বিআইএন যাচাই: এখানেই টাকার প্রশ্ন
আপনার উপকরণ কর রেয়াত দাঁড়িয়ে আছে সরবরাহকারীর দেওয়া চালানের উপর। সেই চালানে যদি বাতিল, মেয়াদোত্তীর্ণ বা বেমানান বিআইএন থাকে, রেয়াতটা টিকবে না। কাগজটা হাতে আসার মুহূর্তে যাচাই করতে এক মিনিট লাগে; এক বছর পরে ঠিক করা প্রায় অসম্ভব।
- আকারটা দেখুন: চলতি বিআইএন ১৩ সংখ্যার হয়। এর চেয়ে ছোট নম্বর ই-বিআইএন ব্যবস্থার আগেকার পুরনো শনাক্তকারী, চলতি নিবন্ধন নয়।
- নম্বরটি সচল কি না আর চালানে লেখা প্রতিষ্ঠানের নামেই আছে কি না, এনবিআরের নিজস্ব ভ্যাট ব্যবস্থায় দেখে নিন। অন্য নামে আসা মানে টাইপো নয়, সেটাই সমস্যা।
- শুধু নম্বর নয়, চালানের নাম আর ঠিকানাও নিবন্ধনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন। একই ট্রেড নামে চলা গ্রুপ কোম্পানিতে এই ফাঁদটা সবচেয়ে বেশি।
- প্রথমবার যাচাই করেই বিআইএনটি নিজের খাতায় সরবরাহকারীর নামের সঙ্গে বসিয়ে রাখুন, যাতে প্রতিটি বিলে আর যাচাই করতে না হয়।
নিবন্ধনের পরদিন থেকে যা শুরু হয়
নিবন্ধন কাজ শেষ হওয়া নয়, দায়িত্ব শুরু হওয়া। প্রথম করযোগ্য সরবরাহ থেকেই মূসক ৬.৩ ইস্যু করতে হবে, আপনার কার্যক্রম অনুযায়ী রেজিস্টার রাখতে হবে, আর মূসক ৯.১ দিতে হবে ত্রৈমাসিক দাখিল এখন সাধারণ নিয়ম, সেক্ষেত্রে ত্রৈমাসিক মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে; আর মাসিক দাখিল বেছে নিলে পরের মাসের শেষ দিনের মধ্যে, এমনকি বিক্রি না হওয়া মেয়াদেও।
যে প্রশ্নগুলো মানুষ করে
- বিআইএন নম্বর কী?
- বিআইএন হলো ব্যবসা শনাক্তকরণ নম্বর, যেটি এনবিআর ভ্যাটে নিবন্ধিত বা টার্নওভার করে তালিকাভুক্ত ব্যবসাকে দেয়। এটি আপনার চালানে, রিটার্নে আর সেই কাগজগুলোতে বসে যেগুলোর উপর ভরসা করে আপনার ক্রেতা রেয়াত দাবি করেন।
- বিআইএন কত সংখ্যার হয়?
- ১৩ সংখ্যার। চলতি ই-বিআইএন ১৩ সংখ্যার একটি নম্বর। এর চেয়ে ছোট নম্বরগুলো ই-বিআইএন ব্যবস্থার আগেকার পুরনো শনাক্তকারী, সেগুলো চলতি নিবন্ধন নয়।
- ভ্যাট নিবন্ধন করতে কি টাকা লাগে?
- না। ভ্যাট নিবন্ধন বা টার্নওভার করে তালিকাভুক্তির জন্য সরকারি কোনো ফি নেই। কেউ ফি চাইলে সেটি তাঁর নিজের সহায়তার দাম, এনবিআরের ধার্য করা কোনো চার্জ নয়।
- ভ্যাট নিবন্ধনের সীমা কত?
- বার্ষিক টার্নওভার ৩ কোটি টাকা ছাড়ালে ভ্যাটে নিবন্ধন নিতে হয়। ৫০ লাখ টাকা থেকে ওই সীমা পর্যন্ত হলে টার্নওভার করে তালিকাভুক্তি নিতে হয়। সীমার নিচে থেকেও স্বেচ্ছায় নিবন্ধন নেওয়া যায়।
- সরবরাহকারীর বিআইএন ঠিক আছে কিনা কীভাবে দেখব?
- প্রথমে দেখুন নম্বরটি ১৩ সংখ্যার কি না, তারপর এনবিআরের ভ্যাট ব্যবস্থায় যাচাই করুন সেটি সচল কি না আর চালানে লেখা প্রতিষ্ঠানের নামেই আছে কি না, এবং নাম ও ঠিকানাও মিলিয়ে দেখুন। কাগজটি হাতে আসার দিনই করুন: ভুল বিআইএন মানে আপনার রেয়াত বাতিল, আর সেটি জানার আগেই টাকা দেওয়া হয়ে গেছে।
- বিআইএন পেতে কত দিন লাগে?
- কাগজ ঠিক থাকলে আর কোনো প্রশ্ন না উঠলে সাধারণত কয়েক কার্যদিবস। কাগজে গরমিল বা পরিদর্শন হলে সময় বাড়ে, আর সেটি সাধারণত নির্ভর করে আবেদনকারী কত দ্রুত বিভাগীয় দপ্তরের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন তার উপর।
- তালিকাভুক্ত ব্যবসাকেও কি প্রতি মাসে রিটার্ন দিতে হয়?
- তালিকাভুক্ত ব্যবসার দায়িত্ব নিবন্ধিত ব্যবসার মতো নয়: তারা প্রাপ্তির উপর টার্নওভার কর দেয়, উপকরণ কর রেয়াত নেয় না আর মূসক ৬.৩ ইস্যু করে না। নিজের মর্যাদা অনুযায়ী কী কী দিতে হবে, নিবন্ধন সনদেই তা লেখা থাকে।